ভূমি সংগঠন

সাতক্ষীরা মূলত পলিবিধৌত সমভূমি।এই সমভূমির মাটি বালি মিশ্রিত।ভূমি সংগঠনের দিক থেকে জেলার মৃত্তিকা উত্তর অঞ্চল এবংদক্ষিণ অঞ্চল দুই ভাগে ভাগ করাযায়।উত্তরাঞ্চলের মাটি দোয়াঁশএবংপলিবহুল সেখানে ধান,পাট,শাক,সবজি ইত্যাদির চাষ ভালভাবে হয়েথাকে।এইএলাকাকে প্রাচীন উচুভূমি বলা যেতেপারে।যমুনা-ইছামতি এবংকপোতাক্ষের মধ্যবর্তী দক্ষিণঅঞ্চলের মাটি লোনাএটেল।জোয়ার ভাটার জন্য সামুদ্রিকপানি দক্ষিনঅঞ্চলের নদীগুলোতেপ্রবাহিত হয় বলে সেখানে মাটিতে লবনাক্ততার ভাগবেশি।নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ষাটএর দশকে উচু বাঁধ নির্মান করার ফলে ধানএবং অন্যান্য ফসলাদির চাষাবাদ সম্ভবহয়েছে।বাঁধদেওয়ার ফলে জমি লবনাক্ততা ও অনেকাংশে কমেগেছে।কিন্তু তাসত্ত্বেও নিম্নঅঞ্চলের অবক্ষেপনের ফলে এখনো স্থানে স্থানে ভূমিসংগঠন চলছে।দক্ষিণঅঞ্চলের বিলেজলজ পচনশীল উদ্ভিদ ও নদীর পলি সংমিশ্রনে কালো ও আঁশযুক্ত এক প্রকার মাটির স্তর গড়ে ওঠে।তার নাম জোবমাটি।যতদিন পর্যন্তএই সংমিশ্রিত মাটি এক বিশেষ উন্নত স্তরে না পৌছায় ততদিন ভালো ফসলজন্মায়না।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের একটি জেলার নাম সাতক্ষীরা।সুন্দরবনের কোলঘেষে অবস্থিত এ জনপদের ভূ-প্রকৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতি প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হলে তার নদ-নদী, প্রাচীন স্থাপত্য, দিঘি ইত্যাদি সম্পর্কে জানা দরকার।বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বিষয়টির মুল্য অনেক বেশি।